1. yellowhost.club@gmail.com : Tara Bangla News :
  • মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

করোনার দিন গুলো বাসায় বসে কাটুক বইয়ের সাথে

  • আপডেট: মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১
  • ২২৩

চলমান লকডাউন বাড়ানো হয়েছে আরো এক সপ্তাহ। করোনাকালীন সময়ের দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সকল শ্রেণীর মানুষকে। বাদ যায়নি বই মেলাও। প্রতি বছর একুশে বইমেলা ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে শুরু হলেও এ বছর দেখা গেছে ভিন্নতা। বই মেলা হবে নাকি হবেনা এ বিষয়ে নানা নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে বিগত ১৮ মার্চ শুরু হয় বইমেলা। যদিও মেলা শেষ হওয়ার কথা ছিলো ১৪ এপ্রিল কিন্তু করোনা মহামারী এবং লকডাউন জনিত কারণে পরবর্তীতে ১২ এপ্রিল মেলা শেষ হবার ঘোষণা দেওয়া হয়।

বই মেলার শুরু থেকেই পাঠক সমাবেশে ছিলোনা মেলায় যাবার কোনো আগ্রহ। অন্যান্য বছরের মতো পাঠকের চোখেমুখে বই মেলা নিয়ে ছিলোনা কোনো উচ্ছ্বাস। এমনকি মেলা চলাকালীন শুক্রবার গুলোতেও এ বছর দেখা যায়নি পাঠক সমাগম। বরং দেখা গেছে করোনা মহামারীর কারনে আগ্রহী পাঠকরা বই মেলায় আসার চেয়ে বাসায় বসে বিভিন্ন অনলাইন সাইট থেকে তাদের পছন্দের লেখক লেখিকার বই সংগ্রহ করেছেন বেশী। বই মেলায় ছিলোনা কোনো ভীড় ছিলো না বই বিক্রির তোড়জোড় এতে লোকশানের মুখে পড়েছেন প্রকাশকগন। এ বছর নবীন লেখক লেখিকাদের বই ভালো সাড়া পেয়েছে। এমনই একজন নবীন লেখিকা “মেহেনীল তাসনিম জয়া” তার সাথে কথা হলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন-

“করোনা ঠিক কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করলো সেটা কেবল বই মেলায় গিয়েই অনুভব করেছিলাম। বইপিপাসী দের ধাক্কাধাক্কি করে বই কেনা অথবা লেখকের অটোগ্রাফ নেওয়ার দৃষ্য এ বছর চোখে পড়েনি। একটাই চাওয়া, এরকম বইমেলা যেন আর কখনও না আসুক। এমন একটা মেলাতে আমার লেখিকা জিবনের পদার্পন ঘটলো, আমার প্রথম বইটা এমন এক বই মেলায় আসলো যেই মেলাতে ছিলোনা কোনো পাঠকের কোলাহল। প্রতিবছর শুক্রবার গুলোতে বইমেলায় উপচে পড়া ভিড় থাকতো অথচ এবার ছিলোনা তার ছিটেফোঁটাও। “অন্তঃপুরের অন্তরালে” সময়পোযোগী এই উপন্যাসটি সমসাময়ীক ব্যাপার নিয়ে লেখা। আমার লেখালেখি জিবনের শুরুটা হলো দুঃসময়ে। তবে এ নিয়ে মন খারাপ করছি না…. আমি শুরুতে নয়, শেষে বিশ্বাসী। কথায় আছে শেষ ভালো যার সব ভালো তার”

করোনার দিন গুলো বাসায় বসে কাটুক বইয়ের সাথে। বিশ্বাস সুদিন ফিরবেই, বইকে ভালোবাসুন কারন প্রেমে পড়ার চেয়ে বই পড়া উত্তম

নিউজটি শেয়ার করতে পারেন....

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ...