1. yellowhost.club@gmail.com : Tara Bangla News :
অদ্ভুত গ্যাড়াকল খেলনা শিল্প - tarabanglanews.com
  • শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন

অদ্ভুত গ্যাড়াকল খেলনা শিল্প

  • আপডেট: শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১
  • ১২

দেশের বাজারে খেলনার চাহিদা অনেক। যে চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরেও পাঠানো হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান সময়ে চাহিদা এবং তৈরি দুটোই বাড়লে অদ্ভুত এক গ্যাড়াকল আটকে পড়েছে খেলনা শিল্প। এখন ৯৫ শতাংশ প্লাস্টিক খেলনার চাহিদা পূরণ করে দেশীয় কারখানা। শুধু দেশীয় চাহিদা পূরণ নয়, এখন বিদেশেও রফতানি করার সক্ষমতা রয়েছে তাদের। বাংলাদেশ টয় মার্চেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন তথ্যানুসারে বর্তমানে দেশ থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার খেলনা বিদেশে যাচ্ছে।

জানা যায়, সরকারের আওতাধীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ব্যবসাবান্ধব শুল্ক নীতির কারণেই দেশীয় খেলনা শিল্প শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে বলে মনে করে সংশ্লিষ্টরা। ২০১৫ সালে খেলনার বিভিন্ন উপকরণে আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছিল। শর্ত সাপেক্ষে আরও বেশ কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া যাবতীয় মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটও প্রত্যাহার হয়

কিন্তু চলতি বছরের ২৭ জুন ঘটলো অদ্ভূত ঘটনা। প্লাস্টিক শিল্পের উপ-খাত খেলনা প্রস্তুতকারীদের জন্য জারি করা রেয়াতী প্রজ্ঞাপনে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ রেখে কৌশলে খেলনার উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ ও সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশসহ মোট শুল্ক ও করসহ প্রায় ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এমন ঘটনায় দেশীয় খেলনা শিল্প বিশেষ করে প্লাস্টিক খেলনা প্রস্তুতকারীদের মাথায় যেন বাজ পড়ল। উপকরণের এমন শুল্ক পরিশোধ করে স্থানীয় খেলনা শিল্পের অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

এ অবস্থায় বিপিজিএমইএ খেলনা শিল্পের উদ্যোক্তরা এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম বরাবর সংকট উত্তরণে পদক্ষেপ চেয়ে কয়েক দফা চিঠি দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করতে পারেন....

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ...